দেখুন কি আছে ওয়াল্টার রিড হাসপাতালের প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুটের ভিতরে!

করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ভর্তি হয়েছেন ওয়াশিংটনের ওয়াল্টার রিড ন্যাশনাল মেডিকেল সেন্টারে। সেখানে প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুটে অবস্থান করছেন তিনি। এই হাসপাতালে আছেন ৭ হাজার ১০০ স্টাফ। এর মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ চিকিৎসকরাও। সেখানে প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুট অত্যন্ত বিলাসবহুল। এটি ওয়ার্ড ৭১ নামে পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ পদস্থ সামরিক কর্মকর্তা ও হোয়াইট হাউজের মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের জন্য এই হাসপাতালে এমন বিশেষ ৬টি রুমকে সংরক্ষণ করা হয়েছে। তার একটি প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুট। এর ভিতর আছে সব রকম নিরাপত্তামুলক ডিভাইস, যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য সরঞ্জাম। এ কথা লিখেছেন রিয়ার এডমিরাল কোনি মারিয়ানো। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডবিøউ বুশ এবং বিল ক্লিনটনকে চিকিৎসক হিসেবে সেবা দিয়েছেন। এ সময় তিনি হোয়াইট হাউজের মেডিকেল ইউনিটের পরিচালক ছিলেন।
ওয়াল্টার রিড হাসপাতালের সুনাম যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে। সিলভার স্প্রিংয়ে রয়েছে এর একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট অব রিসার্স। এটি মেরিল্যান্ডে হাসপাতালের কাছেই। ওই গবেষণা প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞানীরা টিকা উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করেন এবং করোনা ভাইরাসের মতো সংক্রামক রোগের চিকিৎসা নিয়ে কাজ করেন। আবার এই হাসপাতালের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগও আছে।
২০০৭ সালে সেখানে বেশ কিছু সেনা সদস্যকে চিকিৎসা দেয়া হয়। এ সময়ে তাদের অনেকে মারা যান। ফলে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ ওঠে। তা সত্তে¡ও এটাকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘দ্য নেশনস মেডিকেল সেন্টার’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয় এবং সেনাবাহিনীর প্রধানদের চিকিৎসা দেয়া হয় এখানে। এর রয়েছে শতাধিক ক্লিনিক।
এখানকার মেডিকেল ইভ্যালুয়েশন এন্ড ট্রিটমেন্ট ইউনিটে (এমইটিইউ) চিকিৎসা নিয়ে থাকেন প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট। এমইটিইউ অত্যন্ত নিরাপদ, প্রাইভেট ও হাসপাতালের বিস্তৃত অন্যান্য ওয়ার্ড থেকে আলাদা। এর ভিতর আছে একটি ডাইনিং রুম। তাতে আছে ক্রিস্টাল ক্যান্ডেলিয়য়ার। বেড থেকে কয়েক পা দূরে আছে একটি ডেস্ক বা টেবিল।
রুমগুলোকে সাজানো হয়েছে এমনভাবে যাতে সেখানে অতিথিরা যেতে পারেন। আছে নিরাপত্তা প্রযুক্তি। এ ছাড়া ট্রাম্প যাতে সেখানে অবস্থান করে তার প্রেসিডেন্সিয়াল সব দায়িত্ব পালন করতে পারেন, এমন সব সরঞ্জাম রয়েছে এর মধ্যে।
হোয়াইট হাউজ থেকে প্রায় ৯ মাইল দূরে এই হাসপাতাল। এতে আছে ২৪৪টি বেড। আর আছে ৫০টি আইসিইউ। এই হাসপাতালে আছে ১৬৫টি স্মার্ট স্যুট। এতে আছে ‘টু-ওয়ে’ যোগাযোগ বিষয় বিষয়ক ডিভাইস। আছে অডিও ভিজুয়াল, ওয়ারলেস সুবিধা। আছে বিছানার পাশে বিনোদনের ব্যবস্থা। সবই স্থানান্তরযোগ্য কিবোর্ড দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এ সুবিধা রোগীরা সব সময় ভোগ করতে পারেন।
Share:

বিমানবন্দরে অদ্ভুতুড়ে!

বিমানবন্দরে কতশত নিয়ম। চেকআপের লাইন। ফ্লাইট বুক করা। আবহাওয়ার কারণে ফ্লাইট বিলম্ব। এসব কারণে মানুষের কত যে ভোগান্তি তার শেষ নেই। তবে এই বিলম্বে কেউ কেউ বিনোদন বা জীবনে একটু মজা আনেন। কিভাবে? চলুন সচিত্র দেখা যাক।
ফ্রাইডে নাইট লাইটস-এর অভিনেত্রী মিনকা কেলি কোন এক সকালে ছুটি কাটাতে লস অ্যানজেলেস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে বিমানে উঠার জন্য অপেক্ষায় ছিলেন। দেখুন তার অপেক্ষা।
বিমানবন্দরে আপনাকে চেকআপের মুখে পড়তেই হবে। দায়িত্বরতরা আপনার পাসপোর্ট চাইবেন। ফোন নম্বর জানতে চাইতে পারেন। কিন্তু এই যুবতীর কা- দেখেন। তিনি যে অঙ্গভঙ্গি করেছেন চেকআপে তাতে কে কি চেক করবেন, তার দিকে হা করে তাকিয়ে ছিলেন নিশ্চয় অন্যরাও।
চালিতা সুয়ানসানে হলেন মিস ইউনিভার্স থাইল্যান্ড। তিনি যখন সফর করেন, তখন তার সঙ্গে থাকে বিপুল সংখ্যক লাগেজ। ম্যানিলায় যখন নিনোয় একুইনো ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে গিয়েছিলেন তিনি, তখন তার সঙ্গে ছিল ১৭টি লাগেজ। এসব কারণে তাকে কেউ কেউ মিস ইউনিভার্স অব লাগেজ বলে থাকেন।
এয়ারপোর্টে এসে দেখলেন ফ্লাইট বিলম্ব কয়েক ঘন্টা। হোটেলও বুকড। কোথাও বিশ্রাম নেয়ার জায়গা নেই। অগত্যা আর কি করবেন! ঘুমিয়ে পড়–ন এই যুবতীর মতো। চেয়ারের হাতলের ভিতর দিয়ে বডি ঢুকিয়ে দিয়ে এভাবে সটান শুয়ে পড়ুন।
বিমান বন্দর দিয়ে ব্যাপক আকারে মানব পাচার হয়। এর বিরুদ্ধে সোচ্চার অনেকে। তবে এই যুবতী এর প্রতিবাদে দেখুন না একটি স্বচ্ছ সুইটকেসের ভিতর কিভাবে নিজেকে ঢুকিয়ে দিয়েছেন। এর মাধ্যমে নাকি তিনি সচেতনতা সৃষ্টি করছেন।
এই বিমানটির চালক বা পাইলট মনে হয় প্রথম দিন বিমান চালাচ্ছিলেন। রাস্তায় প্রথম দিন গাড়ি চালাতে গেলে যেমন হয়, তিনি তেমন কান্ড ঘটিয়ে বসেছেন। একটি বিমানের ভিতর তার বিমান ঢুকিয়ে দিয়েছেন। হয়তো তিনি টেরও পান নি।
রেসলার ডোয়ানে জনসনকে চেনেন না এমন মানুষ পাওয়া কঠিন। তিনি রক নামেই বেশি পরিচিত। তিনি নিয়মিত ব্যায়াম করেন। তাই সব সময় তাকে সঙ্গে রাখতে হয় ব্যায়ামের জিনিসপত্র। এ জন্য যেখানেই যান, বিশাল লাগেজে করে তা বহন করতে হয়। এ জন্য তাকে বাড়তি ফি গুনতে হয় বিমানবন্দরে।
Share:

কি খেলতে গিয়ে পিতার বিরুদ্ধে মেয়ের মামলা?

লুডু খেলায় পিতা জালিয়াতি বা প্রতারণা করেছেন বলে তার ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে গেছে তার ২৪ বছর বয়সী কন্যার। উপায় না পেয়ে রাগে ক্ষোভে তার ওই যুবতী মেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। বিচার চেয়েছেন পিতার বিরুদ্ধে। সামান্য এক লুডু খেলায় পিতা প্রতারণা করেছেন এমন অভিযোগে সম্ভবত এমন বিচার এটাই প্রথম। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশে। সেখানে পারিবারিক আদালতের কাউন্সেলর সারিতা রজনীর কাছে বিচার চেয়েছেন ওই যুবতী। তিনি অভিযোগ করেছেন, তার পিতার সঙ্গে যখনই লুডু খেলতে গিয়েছেন তিনি, তখনই তিনি প্রতারণা করেছেন।
এ জন্য ওই যুবতী তার পিতার ওপর সম্মান হারিয়ে ফেলেছেন। এখন তিনি পিতাকে ‘বাবা’ বলতেও দ্বিধাবোধ করেন। রজনী বলেন, এই পিতা ও তার কন্যার মধ্যে আগে সম্পর্ক ভাল ছিল। শুধু লুডু খেলায় তার মেয়ে হেরে যান। এ থেকে পিতার প্রতি তার অশ্রদ্ধা চলে এসেছে। এ জন্য ওই যুবতী কাঁদতে থাকেন। তিনি মনে করেন, তাকে অপমান করতে পিতা বার বার তাকে হারিয়েছেন। রজনী বলেছেন, আমি ওই যুবতীর সঙ্গে চারবার বৈঠক করেছি। তাকে বুঝিয়েছি। এরপর কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে তার মধ্যে।
Share:

সংক্রামক মথ্যিা: ট্রাম্পরে রোগ নয়িে লুকোচাপা

র্মাকনি প্রসেডিন্টে ডনাল্ড ট্রাম্পরে করোনা ভাইরাস (কোভডি-১৯) সংক্রমণ নয়িে যইে গোপনীয়তা, র্অথাৎ ১ লা অক্টোবর পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ না করা থকেে শুরু করে তার সুস্থ হওয়ার খবর নয়িে সাংর্ঘষকি তথ্য—এসব র্মাকনি ইতহিাসে নজরিবহিীন নয়। ১৯১৯ সালে তৎকালীন র্মাকনি প্রসেডিন্টে উডরো উইলসনরে স্ট্রোক হয়ছেলি। তার এই অসুস্থতা সংশ্লষ্টি বস্তিারতি তথ্য কয়কে মাস যাবত গণমাধ্যমরে কাছ থকেে মোটামোটি লুকয়িইে রাখা হয়ছেলি। এসময় র্কাযত দশে পরচিালনা করনে তার স্ত্রী এডথি বলংি উইলসন। ১৯৩২ সালে ফ্র্যাংকলনি ডি রুজভল্টে যুক্তরাষ্ট্ররে প্রসেডিন্টে নর্বিাচতি হন। তনিি পোলওি আক্রান্ত ছলিনে ও সসেময় চলাফরো করতনে হুইলচয়োরে কর।ে তার পরবিার এ তথ্য গোপন রাখতে চয়েছেলি। অবশ্য গণমাধ্যমও তখন হুইলচয়োরে বসা অবস্থায় রুজভল্টেরে ছবি না তুলতে সম্মত হয়ছেলি। সইে হসিবেে তার বষিয়টি হয়তো অতটা গোপন ছলি না। ‘৫০ এর দশকে তৎকালীন প্রসেডিন্টে ডুয়াইট আইজনেহাওয়াররে র্হাট অ্যাটাকরে খবর ধামাচাপা দতিে চয়েছেলিনে চকিৎিসকরা। কন্তিু প্রসেডিন্টে তাদরে থাময়িে দয়িে নজিরে প্রসে সক্রেটোরকিে ‘সব বলে দতি’ে নর্দিশে দনে। ’৬০-এর দশকে জন এফ. কনেডেরি পঠিে ব্যথা ও অন্যান্য সমস্যার কথা লুকয়িে রাখা হয়ছেলি। কন্তিু কছিু গুরুত্বর্পূণ বষিয় ববিচেনা করলে বলা চল,ে ট্রাম্পরে ক্ষত্রেে গোপন রাখার প্রথা ভঙ্গেছে।ে এর মধ্যে সবচয়েে সম্ভাব্য উল্লখেযোগ্য দকিটি হচ্ছ,ে কোভডি-১৯ একটি সংক্রামক রোগ। উইলসনরে ক্ষত্রে,ে একজন র্ফাস্ট লডেি র্কাযকরভাবে দশে পরচিালনা করা অত্যন্ত আপত্তকির বষিয় হতে পার,ে কন্তিু তাতে আমরেকিানদরে স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি ছলি না। কারণ, তারা কউেই উইলসনরে স্ট্রোক হওয়ার বষিয়টি জানতো না। কন্তিু, ট্রাম্প প্রশাসন গত বৃহস্পতবিার প্রসেডিন্টেরে সহযোগী হোপ হকিসরে করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর দ্রুত প্রকাশ না করে অনকেকে ঝুঁকতিে ফলেে দয়িছেনে। প্রসেডিন্টেরে সংর্স্পশে এসে ঠকি কতজন মানুষ অসুস্থ হয়ছেনে তা এখনো স্পষ্ট নয়। এখন র্পযন্ত আমরা জানি য,ে ২৬শে সপ্টেম্বের এমি কোনি ব্যারটেকে সুপ্রমি র্কোট বচিারপতি হসিবেে মনোনীত করার ঘোষণা দয়োর জন্য হোয়াইট হাউজে যইে অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়, সখোনে যোগদানকারী অন্তত সাত জন করোনা ভাইরাসরে শকিার হয়ছেনে। এদরে মধ্যে ট্রাম্প একজন। ধারণা করা যায় য,ে এই আক্রান্তদরে প্রত্যকেইে অনুষ্ঠানরে পরর্বতী দনিগুলোতে অন্যান্যদরে সঙ্গে দখো করছেনে। এ অনুষ্ঠানরে পরে রপিাবলকিান সনিটেররা তাদরে সহর্কমীদরে সঙ্গে খাবার খয়েছেনে। ওই অনুষ্ঠানরে পর ২৯শে সপ্টেম্বের প্রসেডিন্টে ও তার পরবিার প্রথম প্রসেডিন্সেয়িাল বর্তিকে হাজরি হন। তারা এতটাই দরেি করে এসছেলিনে য,ে ক্লভিল্যান্ড ক্লনিকিে তাদরে পরীক্ষা করা সম্ভব হয়ন।ি নয়িম ভঙেে অনুষ্ঠানে যোগ দনে তারা। হোপ হকিস করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর হোয়াইট হাউজ র্কমর্কতারা বৃহস্পতবিার সকালইে জানতে পরেছেলিনে বলে জানা গছে।ে তা সত্ত্বওে, ব্লুমর্বাগ নউিজ ঘটনাটি নয়িে প্রতবিদেন প্রকাশরে আগ র্পযন্ত প্রশাসন এ খবর প্রকাশ করনে।ি সদেনি, ট্রাম্প নউি র্জাসতিে একটি ইনডোর প্রচারণা অনুষ্ঠানে যোগ দতিে যান ট্রাম্প। এরপর দাতাদরে সঙ্গে বভিন্নি অনুষ্ঠানে যোগ দতিে দশেরে বভিন্নি জায়গায় ঘুরে বড়েয়িছেনে তনি।ি ডমেোক্র্যাট প্রসেডিন্টে র্প্রাথী জো বাইডনে ও তার শবিরিরে র্কমীরা ট্রাম্প ও হকিসরে সঙ্গে একই কক্ষ ও মঞ্চে অবস্থান করছেলিনে বর্তিকরে সময়। তা সত্ত্বওে ট্রাম্প শবিরি বাইডনে শবিরিকে করোনা সংক্রমণরে খবর জানায়ন।ি বাইডনে ও তার টমি হকিসরে আক্রান্ত হওয়ার খবর জানতে পারনে গণমাধ্যম থকে।ে সবকছিু ববিচেনায়, এটা খুবই সম্ভব য,ে হকিসরে করোনা সংক্রমণরে খবর প্রকাশে ট্রাম্প প্রশাসনরে র্ব্যথতা অন্যান্য মানুষজনকে ঝুঁকতিে ফলেছে।ে এমনকি প্রসেডিন্টেরে করোনা সংক্রমণ নয়িে তথ্য প্রকাশ না করে এখনো সইে ঝুঁকি ছড়ানো হচ্ছ।ে গত রোববার সন্ধ্যায় প্রসেডিন্টে একটি গাড়তিে করে হাসপাতালরে আশপাশে থাকা সর্মথকদরে প্রতি হাত নাড়তে নাড়তে চলে যান। গাড়টিতিে ট্রাম্পরে সঙ্গে গোয়ন্দো সংস্থার র্কমীরাও ছলি। প্রসেডিন্টেরে জন্য তারা গুলবিদ্ধি হতওে প্রস্তুত। কন্তিু, এ ঘটনা এটাও প্রমাণ করে য,ে প্রসেডিন্টেকে তার নজিরে কাছ থকেে রক্ষা করা বা প্রসেডিন্টেরে কাছ থকেে অন্যদরে রক্ষা করা, কারো পক্ষইে সম্ভব নয়। প্রায় সব প্রসেডিন্টেই বাস্তব চত্রি যথাযথভাবে প্রকাশ করে না, বা কছিু গোপনীয়তা রাখ।ে কন্তিু এই প্রসেডিন্টে ও তার সহযোগীরা এত বশেি মথ্যিা বলে ও এত খোলামলোভাবে বলে য,ে প্রসেডিন্টে তার করোনা সংক্রমণ নয়িে যে টুইট দয়িছেলিনে, সটেি নয়িওে অনকেে সংশয় প্রকাশ করছেনে। অনকেে এমনও প্রশ্ন করছেনে য,ে আসলইে তার করোনা সংক্রমণ হয়ছে,ে নাকি এটি তার কররে নথপিত্র প্রকাশ ও বর্তিক অনুষ্ঠানে বাজে পারফরমন্সে থকেে দৃষ্টি সরানোর কোনো কৌশল? ট্রাম্পরে করোনা সংক্রমণ নয়িে কংির্কতব্যবমিূঢ়তা এমন সময়ে এসছেে যখন ডাকযোগে ভোট পাঠানো, আসন্ন নর্বিাচনরে নরিাপত্তা ও মহামারি সামাল দওেয়ায় ট্রাম্প প্রশাসনরে ভূমকিা নয়িওে বভ্রিান্তি চলছে জনমন।ে ভাইরাসরে মতো মথ্যিাও সংক্রামক হসিবেে প্রতীয়মান হয়ছে।ে ট্রাম্পরে শারীরকি অবস্থা নয়িে গণমাধ্যমকে দওেয়া বক্তব্যে তার ব্যক্তগিত চকিৎিসক শন কনলি শনবিার ও রোববার সাংর্ঘষকি তথ্য দনে। তনিি জানান, প্রসেডিন্টেরে অক্সজিনে লভেলে কম ছলি, কন্তিু পরস্থিতিি প্রফুল্ল রাখতে এ তথ্য প্রকাশ করনেনি তনি।ি এই নবিন্ধ লখোর সময়, সরকারি ভাষ্যমত,ে প্রসেডিন্টেকে স্থানীয় সময় সোমবার হাসপাতাল থকেে ছড়েে দওেয়া হতে পার।ে তবে আদৌ সত্য কনিা, তা কউে জানে না। যমেন কউে এটাও জানে না, আদতে প্রসেডিন্টেরে ফুসফুসে কী হচ্ছে বা তাকে ডক্সেমথোসোন দওেয়া হচ্ছে কনিা। উল্লখ্যে, সাধারণত গুরুতর করোনা আক্রান্তদরে ডক্সেমথোসন নামরে স্টরেয়ডে দওেয়া হয়ে থাক।ে এদকি,ে রোববার যদেনি কনলরি মুখে হাসি জড়য়িে ছলি ও প্রসেডিন্টে তার ভক্তদরে দকিে হাত নড়েছেলিনে, সদেনি যুক্তরাষ্ট্র গত দুই মাসরে মধ্যে একদনিে র্সবোচ্চ সংক্রমণ দখেছে।ে ( লখেক নউি স্টসেম্যানরে র্মাকনি সম্পাদক। তার এ লখোটি নউি স্টটেসম্যান অনলাইনে প্রকাশতি হয়ছে)ে
Share:

করোনা নিয়ে ভুল তথ্য: ট্রাম্পের টুইট মুছে দিল ফেসবুক

করোনা ভাইরাসকে সাধারণ ফ্লু’র সঙ্গে তুলনা করায় প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের একটি পোস্ট মঙ্গলবার মুছে দিয়েছে ফেসবুক। এতে বেজায় চটেছেন ট্রাম্প। ফলে ইন্টারনেট ভিত্তিক কোম্পানিগুলোকে সুবিধা দেয়া আইন বাতিল করা উচিত বলে তিনি কংগ্রেসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে হোয়াইট হাউজে ফেরার পরের দিনই ঘটেছে এই ঘটনা। ট্রাম্পের পক্ষ থেকে দেয়া এক টুইটে একই রকম বিধিনিষেধ দিয়েছে আরেক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটার। তবে তারা ট্রাম্পের টুইট মুছে দেয়নি। তার টুইটের ওপর একটি নোট যুক্ত করেছে। সেই নোটের নিচে রয়েছে ট্রাম্পের টুইট। নোটে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের ওই টুইট ভুল তথ্য ছড়িয়ে দেয়া সম্পর্কিত কোম্পানির আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে। এ খবর দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অনলাইন এনবিসি নিউজ। ট্রাম্পের পোস্ট মুছে দেয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন ফেসবুকের মুখপাত্র অ্যান্ডি স্টোন। তিনি বলেছেন, ওই পোস্টটি ফেসবুকের নিয়মনীতি ভঙ্গ করেছে বলে তা সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তিনি বলেন, কোভিড-১৯ এর ভয়াবহতা সম্পর্কে যেসব ভুল তথ্য আছে তা আমরা সরিয়ে ফেলি। তাই আমরা ওই পোস্টটি সরিয়ে ফেলেছি। এতে বলা হয়েছে, ফেসবুকে দেয়া পোস্টে ট্রাম্প কোভিড-১৯ বা করোনা ভাইরাসকে তুলনা করেছেন ফ্লু’র সঙ্গে। কিন্তু বার বার মেডিকেল বিশেষজ্ঞরা এমন তুলনা সঙ্গত নয় বা এমন প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন। এমন তুলনাকে তারা মারাত্মক বিপজ্জনক বলে মন্তব্য করেছেন। কারণ এমন তুলনা করা হলে জনগণ করোনাভাইরাসকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবে না। উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাস মহামারি শুরুর পর থেকেই প্রযুক্তি বিষয়ক কোম্পানিগুলোর সঙ্গে একরকম সাংঘর্ষিক অবস্থায় রয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বার বার এই ভাইরাস ইস্যুতে এমন অবস্থান নিয়েছেন, যা বৈজ্ঞানিক সত্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তবে এক্ষেত্রে পৌরাণিক তথ্য, ভুল মেডিকেল পরামর্শ ও অন্যান্য ভুল তথ্য প্রচার বন্ধে অধিক সাহসী ভূমিকা নিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো। তারা প্রেসিডেন্ট এবং অন্য রাজনীতিকদের মহামারী নয়, এমন সব বিষয়ে যথেষ্ট ছাড় দিয়েছে। ওদিকে ট্রাম্পের পোস্ট ফেসবুক মুছে দেয়ার পর চটেছেন তিনি। তার টুইট মুছে দেয়ার পর মঙ্গলবার ট্রাম্প আরেকটি টুইট করেছেন। তাতে তিনি ১৯৯৬ সালের একটি আইনের অংশবিশেষ, যা সেকশন ২৩০ নামে পরিচিত, তা কংগ্রেসের বাতিল করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন। কারণ, এই সেকশন ২৩০ এর অধীনে সুনির্দিষ্ট কিছু আইনের ক্ষেত্রে ইন্টারনেট বিষয়ক কোম্পানিগুলোকে দায়মুক্তি দেয়া হয়েছে। রক্ষণশীল রাজনীতিবিদদের টার্গেটে পরিণত হয়েছে এই আইন। তারা মনে করেন, এই আইনের কারণে ইন্টারনেট ভিত্তিক কোম্পানিগুলো বেশি পক্ষপাতী হয়ে উঠেছে। ফেসবুকের মুখপাত্র অ্যান্ডি স্টোন বলেছেন, বাস্তবতার ক্ষতি করে এমন সব ভুল তথ্য প্রকাশের বিরুদ্ধে বিধিনিষেধ আছে। এমন তথ্য প্রকাশ হলে অত্যাসন্ন সহিংসতা অথবা শারীরিক ক্ষতি হতে পারে। এর সঙ্গে মহামারির ক্ষতি যুক্ত। একই রকম নিয়ম আছে টুইটারের। এর মুখপাত্র আদ্রিয়ান জামোরা নিশ্চিত করে বলেছেন, ট্রাম্পের পোস্টে কোভিড-১৯ নিয়ে সন্বাস্থ্য বিষয়ক ভুল তথ্য আছে। তাই কোম্পানি তার পোস্টের ওপর একটি জনস্বার্থ বিষয়ক নোটিশ সেঁটে দিয়েছে।
Share:

ট্রাম্পের আরেক সহযোগী করোনায় আক্রান্ত, সেনা কর্মকর্তারা কোয়ারেন্টিনে

প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যখন করোনা ভাইরাসকে সাধারণ ফ্লু’র সঙ্গে তুলনা করছেন, হাসপাতাল থেকে ফিরে হোয়াইট হাউজের ব্যালকনিতে মুখ থেকে বিরক্তি নিয়ে মাস্ক খুলে ফেলেছেন, তখন হোয়াইট হাউজে তার আরো এক সহযোগীর করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। অনলাইন বিবিসি জানাচ্ছে, সামরিক নেতারা যখন কোয়ারেন্টিনে তখন হোয়াইট হাউজের আরো একজন উপদেষ্টা স্টিফেন মিলার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ৫ দিন ধরে স্বেচ্ছায় কোয়ারেন্টিনে স্টিফেন মিলার। তবে মঙ্গলবার তিনি নিশ্চিত করেছেন, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত তিনি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্য লিখে দেন তিনি। তাকে দেখা হয় অভিবাসন ইস্যুতে কঠোর অবস্থান অবলম্বনকারী হিসেবে। ওদিকে কোস্ট গার্ড কর্মকর্তা এডমিরাল চার্লস রে করোনা পজেটিভ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ জেনারেল মার্ক মিলি এবং অন্য সামরিক কর্মকর্তারা কোয়ারেন্টিনে চলে গেছেন। পূর্ব সতর্কতা হিসেবে অন্য কর্মকর্তারাও স্বেচ্ছায় আইসোলেশনে চলে গেছেন। ওদিকে স্টিফেন মিলার একটি বিবৃতি দিয়েছেন। এতে তিনি বলেছেন, মঙ্গলবারের আগে পর্যন্ত প্রতিদিন পরীক্ষায় তার নেগেটিভ আসছিল। কিন্তু মঙ্গলবার করোনা পজেটিভ ধরা পড়ে। বর্তমানে তিনি কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের মুখপাত্র তার স্ত্রী কেটি মিলার। মে মাসে তারও করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়ে। তবে পরে সুস্থ হয়ে যান তিনি। করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে জুলাই মাসে মারা যান স্টিফেন মিলারের ৯৭ বছর বয়সী দাদী বা নানী রুথ গ্লোসার। তবে হোয়াইট হাউজ থেকে এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করা হয়। বলা হয়, তিনি করোনা ভাইরাসে মারা যাননি। তিনি বয়সের কারণে ঘুমের মধ্যে শান্তিতে মারা গেছেন। কিন্তু স্টিফেন মিলারের আঙ্কেল একটি মৃত্যু সনদ উপস্থাপন করেছেন। তাতে বলা হয়েছে, শ্বাসকষ্ট ছিল রুথ গ্লোসারের এবং কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত ছিলেন তিনি। এ জন্য মারা গেছেন গ্লোসার। যুক্তরাষ্ট্রের কোস্ট গার্ডের ভাইস কমান্ড্যান্ট এডমিলার রে বলেছেন, তিনি হালকা লক্ষণ বুঝতে পারছেন। তার সঙ্গে গত সপ্তাহে বৈঠকে বসেছিলেন এমন সব কর্মকর্তা এখন কোয়ারেন্টিনে। তবে এখন পর্যন্ত কারো মধ্যে করোনা পজেটিভ বা লক্ষণ দেখা যায়নি বলে জানিয়েছে পেন্টাগন। এডমিরাল রে কিভাবে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে তা জানা যায়নি। ১০ দিন আগে তিনি হোয়াইট হাউজে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। সেখান থেকে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন কিনা তা স্পষ্ট নয়। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও হোয়াইট হাউজের অন্য কর্মকর্তাদের করোনা পজেটিভ ধরা পড়েছে। কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এডমিরাল রে’র করোনা পজেটিভ ধরা পড়েছে সোমবার। বর্তমানে তিনি বাড়িতেই আইসোলেশনে রয়েছেন। সিবিএস নিউজ রিপোর্ট করেছে যে, জয়েন্ট চিফ অব স্টাফের প্রায় সব সদস্য এখন কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। আরো বলা হয়েছে, কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন ভাইস চিফ অব স্টাফ, আর্মি চিফ অব স্টাফ, চিফ অব নেভাল অপারেশনস, এয়ার ফোর্স চিফ অব স্টাফ, সাইবারকম কমান্ডার, স্পেস ফোর্স চিফ, চিফ অব দ্য ন্যাশনাল গার্ড, ডেপুটি কমান্ড্যান্ড অব দ্য মেরিন কোর।
Share:

বাংলাদেশে ৭৬টি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার চায় নেপাল

বাংলাদেশে ৭৬টি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার চায় নেপাল। চা, কফি, বড় এলাচ, ফলমুল, একাশিয়া গাছের কাঠ, পশমিনা সহ বেশ কিছু রপ্তানিযোগ্য পণ্য বাংলাদেশে রপ্তানি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করাতে চায় তারা। অন্যদিকে ৪২টি পণ্যের একই রকম সুবিধা চায় বাংলাদেশ। দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই দেশের জয়েন্ট সেক্রেটারি পর্যায়ের বাণিজ্যিক আলোচনা শুরু হয়েছে মঙ্গলবার। সেখানে এসব দাবি জানানো হয়েছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন কাঠমান্ডু পোস্ট। ভার্চুয়াল এই বৈঠকের প্রথম দিনে অগ্রাধিকার বাণিজ্যিক চুক্তির (প্রিফারেন্সিয়াল ট্রেড এগ্রিমেন্ট) খসড়া ও প্রযুক্তিগত দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নেপালের শিল্প, বাণিজ্য ও সরবরাহ বিষয়ক জয়েন্ট সেক্রেটারি প্রকাশ দাহাল। বৃহস্পতিবার সচিব পর্যায়ের বৈঠকের পর একটি অগ্রাধিকার ভিত্তিক বাণিজ্যিক চুক্তিতে উপনীত হওয়া ও তা স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে। প্রকাশ দাহাল জানিয়েছেন, নেপাল থেকে যেসব পণ্যের তালিকা দেয়া হয়েছে, সেগুলোতে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেয়াই হলো আমাদের প্রধান লক্ষ্য। তিনি বলেছেন, কাস্টমস চার্জ ছাড়াও নেপালি পণ্যের ওপর বাংলাদেশ আরো বিশদ চার্জ ধার্য করে। এর ফলে বাংলাদেশের বাজারে সেসব পণ্যের দাম বেশি হয়। রিপোর্টে বলা হয়, নেপালি ১০৮টি পণ্যকে শুল্ক মুক্ত সুবিধা দিয়েছে বাংলাদেশ। এই তালিকা আরো বিস্তৃত করার জন্য বাংলাদেশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে নেপাল। তারা জানিয়েছে, যেসব পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধার বাইরে রয়েছে, তা বাংলাদেশে প্রবেশের ক্ষেত্রে জটিলতার মুখোমুখি হচ্ছে। প্রকাশ দাহাল বলেছেন, যে অতিরিক্ত চার্জ ধার্য করা হয় আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো তা পুরোপুরি বাতিল করা। এ নিয়ে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করবো। এ বিষয়ে বাংলাদেশ যদি ইতিবাচক হয়, তাহলে একটি বাণিজ্যিক সুবিধা বিষয়ক চুক্তি চূড়ান্ত হতে পারে। তিনি আরো বলেন, এমন একটি চুক্তি স্বাক্ষর করা গেলে নেপালি রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে। ফলে বাণিজ্যিক অসমতা কিছুটা কমে আসবে। আমাদের দিক থেকে আমরা ভারতীয় পণ্যের চেয়ে বাংলাদেশি পণ্যকে বেশি সুবিধা দিতে সক্ষম হবো না। প্রকাশ দাহাল বলেছেন, বাণিজ্যিক সুবিধা বিষয়ক চুক্তির অধীনে শতকরা ১০০ ভাগ কাস্টমস ওয়েভার চাইছে বাংলাদেশ। তবে তাদের পক্ষ থেকে আমরা পণ্যের চূড়ান্ত তালিকা পাইনি। নেপাল থেকে যেসব পণ্য বাংলাদেশে রপ্তানি করা হয়, তা প্রিফারেন্সিয়াল ট্রেড এগ্রিমেন্টে উল্লেখ থাকে। এর মধ্যে রয়েছে মসুর ডাল, কাঁচা শাকসবজি, ফলমুল, ডেইরি পণ্য, চা, কফি, আদা, এলাচ, সুতা ও অন্যান্য পণ্য। নেপালের কৃষি প্রযুক্তি ও মান নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট, সল্ট ট্রেডিং করপোরেশন ও ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির অধীনে এই বৈঠকে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এসব চুক্তি গত বছর পঞ্চম বৈঠকে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। প্রকাশ দাহাল বলেছেন, পণ্যের মান ও তথ্য সম্পর্কে দুই দেশের মধ্যে বিনিময়ের জন্য এই চুক্তি হয়েছিল। কৃষি ক্ষেত্রেও একটি সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে নেপাল ও বাংলাদেশের মধ্যে। প্রকাশ দাহাল বলেন, নেপালে অনেক পণ্য উৎপাদিত হয় যা বাংলাদেশে যাওয়া দরকার। যদিও বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে সমস্যাগুলোর কথা স্বীকার করেছে, তবে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এজেন্ডায় এসব বিষয়ও থাকবে। প্রকাশ দাহাল বলেন, গত বছর সৈয়দপুর থেকে নেপালের ভদ্রপুর অথবা বিরাটনগরের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালু নিয়ে আলোচনা করেছিল নেপাল ও বাংলাদেশ। কর্মকর্তারা বলেছিলেন, পর্যটনকে সামনে এগিয়ে দেয়া এবং হালকা পণ্যবাহী কার্গো ফ্লাইট চালানোর প্রস্তাবে বাংলাদেশ ইতিবাচক। এ বিষয়টি আবার আলোচনা করা হবে। নেপালে ওষুধ প্রস্তুতকারকদের পণ্য রপ্তানির একটি তালিকা প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ। এ বিষয়টিও আলোচনা হবে। প্রকাশ দাহাল বলেছেন, রোহনপুর-সিংহবাদ রেলওয়ে ট্রানজিটের একটি চুক্তিতে পৌঁছা গেছে। এ নিয়ে কিভাবে এগুনো যায়, তা নিয়ে দুই পক্ষই আলোচনা করবে। এই রেল সংযোগ স্থাপিত হলে আমদানি খরচ কমে যাবে। বাংলাদেশে ইঞ্জিনিয়ারিং ও ডাক্তারি পড়েন অনেক নেপালি শিক্ষার্থী। তাদের ভিসা বার বার নবায়ন করার প্রয়োজন হয। আলোচনায় এ ইস্যুটিও আসবে। বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীদের ভিসার বিষয়টি উত্থাপন করেছে বাংলাদেশ। স্থলপথে যাওয়া ভ্রমণকারীদের পৌঁছামাত্র ভিসার বিধান নেই। এই বিষয়টিও আলোচনা হবে।
Share:

করোনার টিকা: আশার বাণী শোনালো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেডরোস আধানম ঘেব্রেয়েসাস এবার আশার বাণী শুনিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এ বছরের শেষ নাগাদ করোনা ভাইরাসের টিকা হাতে আসতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্বাহীদের এক বৈঠকে তিনি এমন আশা প্রকাশ করেছেন। টেডরোস বলেছেন, আমাদের টিকার প্রয়োজন এবং এক্ষেত্রে আশার কথা হলো, বছরের শেষ নাগাদ আমরা টিকা পেয়ে যেতে পারি। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন ইন্ডিপেন্ডেন্ট। বর্তমানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নেতৃত্বাধীন কোভ্যাক্স বৈশ্বিক টিকার ফ্যাসিলিটিতে পরীক্ষামুলকভাবে ৯টি টিকা রয়েছে। এসব টিকা ২০২১ সালের শেষ নাগাদ ২০০ কোটি ডোজ বিতরণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোভ্যাক্স কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছে ১৬৮টি দেশ। এর মধ্যে নেই চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া। করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে এক সঙ্গে কাজ করতে দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন টেডরোস। তিনি বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আমাদের নেতাদের কাছ থেকে রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ছিল একটি টিকা বের করা এবং তা সমতাভিত্তিতে বিতরণ করা। তিনি বলেন, আমাদের একে অন্যকে প্রয়োজন। আমাদের দরকার পারস্পরিক নির্ভরতা। এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমাদের প্রয়োজন সর্বশক্তি ব্যবহার করা। উল্লেখ্য, সারা বিশ্বের ওষুধ প্রস্তুতকারক ও জনস্বাস্থ্য বিষয়ক প্রতিষ্ঠানগুলো একটি টিকা তৈরির জন্য প্রতিযোগিতা করছে। এর উদ্দেশ্য করোনার মহামারিকে নিয়ন্ত্রণে আনা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই কর্মকর্তা বলেছেন, তাদের সঙ্গে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত টিকা নিয়ে কথা বলছে চীন। এর উদ্দেশ্য আন্তর্জাতিকভাবে সেই টিকা ব্যবহার করা। অন্যদিকে ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের নিয়ন্ত্রকরা যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রস্তুতকারক ফাইজার এবং জার্মানির বায়োএনটেকের উৎপাদিত টিকার পর্যবেক্ষণ বা পর্যালোচনা শুরু করেছে। এর ফলে এই টিকা অনুমোদনের ধারা ত্বরান্বিত হতে পারে। এই দুটি কোম্পানিই ইউরোপের সঙ্গে গত মাসে ৩০ কোটি ডোজ টিকা সরবরাহ দেয়ার আলোচনা শুরু করেছে। গত সপ্তাহে একই রকম ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল, এই রকম আলোচনাও গতি পেতে পারে এস্ট্রাজেনেকার সঙ্গে। এরই মধ্যে এই প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে ৪০ কোটি ডোজ টিকার একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। বর্তমানে আফ্রিকায় ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা চলছে ১৫টি টিকার। এর মধ্যে ৫টির পরীক্ষা চলছে দক্ষিণ আফ্রিকায়, চারটি মিশরে। একটি করে টিকার পরীক্ষা চলছে গিনি বিসাউ, ঘানা, উগান্ডা, কেনিয়া, জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়েতে। মঙ্গলবার গ্লাক্সোস্মিথ ক্লিন (জিএসকে) এবং বীর বায়োটেকনোলজি ঘোষণা করেছে যে, তাদের উদ্ভাবিত করোনা ভাইরাসের চিকিৎসার পরীক্ষা তৃতীয় পর্যায়ে প্রবেশ করবে। কমেট-আইস তাদের গবেষণায় বীর-৭৮৩১ নামের ওষুধটি করোনায় আক্রান্তদের জন্য প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে মূল্যায়ন করছে। এই ওষুধটি প্রয়োগ করা হচ্ছে যেসব রোগী হাসপাতালে নেয়ার ক্ষেত্রে বড় ঝুঁকিতে আছেন, তাদের ওপর। এটি একটি এন্টিবডি। এটাকে নির্বাচন করা হয়েছে করোনা ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করার জন্য। এ ছাড়া মনে করা হচ্ছে এই ওষুধটি আক্রান্ত কোষকে মেরে ফেলে। তৈরি করে শক্তিশালী প্রতিবন্ধকতা।
Share:

Popular Posts

Search This Blog

Blog Archive

Powered by Blogger.

About Me

My photo
আমি মোহাম্মদ আবুল হোসেন। পেশাগত দিক দিয়ে আমি সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও, এর বাইরে আমি ও-এ লেভেল ম্যাথ টিউটর। উভয় মাধ্যমে, বিশেষে করে টিচিংয়ে আমার আগ্রহ বেশি। যুক্ত হয়েছি প্রযুক্তি বিষয়ক এই ব্লগ নিয়ে। আশা করি সাপোর্ট পাবো। ধন্যবাদ

Recent Posts

Unordered List

  • Lorem ipsum dolor sit amet, consectetuer adipiscing elit.
  • Aliquam tincidunt mauris eu risus.
  • Vestibulum auctor dapibus neque.

Sample Text

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipisicing elit, sed do eiusmod tempor incididunt ut labore et dolore magna aliqua.

Pages

Theme Support

Need our help to upload or customize this blogger template? Contact me with details about the theme customization you need.